Year 2024 - May | Volume -2 | Issue -4
Author: নমিতা মাইতি
DOI Link :: https://doi.org/10.70798/Bijmrd/02040003
Abstract : বাঙালির জীবনের আনন্দ-বেদনাকে সাবলীল স্বচ্ছন্দ ভাষায় যে কথাশিল্পী পরম সহানুভূতি ভরে তুলে ধরেছেন বাংলা সাহিত্যে, তিনি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১৮৭৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, হুগলি জেলার ছোট্ট গ্রাম দেবানন্দপুরে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শরৎচন্দ্র।দারিদ্র্যের কারণে তাঁর শৈশবকাল বলতে গেলে মাতুলালয় ভাগলপুরেই কেটেছে।দারিদ্র্যের কারণে ফি দিতে না পেরে বেশ কয়েকবার স্কুল বদলিও করতে হয়েছিলো ছোটবেলা থেকেই দুরন্ত ও মেধাবী শরৎচন্দ্রের।এন্ট্রান্স পাস করে কলেজে ভর্তি হলেও এফএ পরীক্ষার ফি জোগাড় করতে না পেরে পরীক্ষায় বসতে পারেননি।দারিদ্র্য যখন শিক্ষাজীবনে অব্যহতি টানলো, তারপরই শুরু হলো আপাত সাধারণ এই মানুষটির বর্ণাঢ্য কর্ম ও সাহিত্যজীবন।এ সময় প্রতিবেশী বিভূতিভূষণ ভট্টের বাড়িতে আয়োজিত সাহিত্যসভায় লেখালেখির অনুপ্রেরণা ফিরে পেলেন যেন আবার।যার ফলশ্রুতিতে বাংলা সাহিত্য পেয়েছিলো বড়দিদি, দেবদাস, চন্দ্রনাথ, শুভদা’র মতো কালোত্তীর্ণ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর উপন্যাস সমগ্র। কাছাকাছি সময়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছোটগল্প অনুপমার প্রেম, আলো ও ছায়া, হরিচরণ, বোঝা ইত্যাদি রচিত হয়।বনেলী রাজ স্টেটে সেটলমেন্ট অফিসারের সহকারী হিসেবে কিছুদিন কাজ করেন এসময়। কিন্তু তারপরই বাবার উপর অভিমান করে সন্ন্যাসদলে যোগ দিয়ে গান ও নাটকে অভিনয়ে মনোনিবেশ করেন।কখনও কলকাতা হাইকোর্টের অনুবাদক, আবার বার্মা রেলওয়ের হিসাব দপ্তরের কেরানি হিসেবেও কাজ করেন শরৎচন্দ্র।রাজনীতিতেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন ১৯২১ সালে কংগ্রেসের অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়ে, এবং হাওড়া জেলা কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে।এর মাঝে নিরন্তর চলেছে নিজস্ব জীবনবোধ ও অভিজ্ঞতা উৎসারিত সাহিত্যচর্চা।সমষ্টি আকারে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গল্প সমগ্র বিন্দুর ছেলে ও অন্যান্য, শ্রীকান্ত-৪ খন্ড, কাশীনাথ, ছেলেবেলার গল্প ইত্যাদি সময় নিয়ে প্রকাশিত হলেও পেয়েছিলো দারুণ পাঠকপ্রিয়তা।শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর বই সমূহ বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে, এবং বিশ্বব্যাপী পাঠকের কাছে হয়েছে সমাদৃত।শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর বই সমগ্র দেবদাস, শ্রীকান্ত, রামের সুমতি, দেনা-পাওনা, বিরাজবৌ ইত্যাদি থেকে বাংলাসহ ভারতীয় নানা ভাষায় নির্মিত হয়েছে অসাধারণ সফল সব চিত্রনাট্য ও চলচ্চিত্র।সাহিত্যকর্মে অসাধারণ অবদানের জন্য এই খ্যাতিমান বাংলা সাহিত্যিক কুন্তলীন পুরস্কার, জগত্তারিণী স্বর্ণপদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিলিট উপাধি লাভ করেন। ১৯৩৮ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সূচকশব্দঃ বাংলা সাহিত্যে,শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছোটগল্প,নিজস্ব জীবনবোধ,সাহিত্যকর্ম।
Page No : 19-25
Author: বৈশাখী দাস
DOI Link :: https://doi.org/10.70798/Bijmrd/02040004
Abstract: গবেষকের গবেষণার আলোচ্য বিষয় হল তারাশঙ্করের ছোটোগল্পে পুরুষ চরিত্র। নিয়তি, প্রবৃত্তি, হৃদয়াতুর বেদনা বাস্তবতার নীরিখে আধুনিকতার মিশেলে তারা শঙ্করের সৃষ্ট পুরুষ চরিত্র হল অনন্য ও জীবন্ত। লিঙ্গ ভেদানুযায়ী নারী চরিত্রের পাশাপাশি পুরুষ চরিত্র গুলি সদা সজীব। তারা শঙ্করের সাহিত্যে একদিকে যেমন রয়েছে তাঁর সামগ্রিক জীবনবোধ, অন্যদিকে তেমন আছে মানুষের জীবন মহিমার প্রতি অকুন্ঠ ভালোবাসা। নিম্ন বর্গীয়রা তারাশঙ্করের রচনায় বিশেষ ভাবে স্থান পেল। তাঁর ক্লান্তিহীন অন্বেষণে মাটির কাছে থাকা মানুষের স্বপ্নকে লেখক নিজ স্বপ্নের আঙিনায় রাঙিয়ে তুললেন। যা তার লেখক জীবনের স্বার্থকতা এবং কলমের স্পর্শের মহিমান্বিত সন্ধিক্ষণকে বাস্তবায়িত করে।
Key words: নিয়তি, প্রবৃত্তি, হৃদয়াতুর বেদনা, পুরুষ চরিত্র, নিম্নবর্গীয়, স্বার্থকতা, মহিমান্বিত, সন্ধিক্ষণ।
Page No : 26-30
Author: সরোজ সেনাপতি
DOI Link :https://doi.org/10.70798/Bijmrd/02040005
Abstract: ভারতবর্ষ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষি হল ভিত্তি আর শিল্প ভবিষ্যৎ। জলবায়ুর উপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে মানুষের জীবন জীবিকা। আর্থিক উন্নয়ন ব্যক্তি থেকে সমাজের উন্নয়ন ধাবিত। সামাজিক উন্নয়নের হাতিয়ার শিক্ষা। শিক্ষার গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ হয় শিক্ষার মৌলিক উপাদান পাঠ্যক্রমের দ্বারা। ভবিষ্যতের নাগরিক শিশুকে শিক্ষা জীবন বিকাশের প্রক্রিয়ায় পৌঁছে দেয়। বিদ্যালয়ের ঘড়ি হল টাইমটেবিল তেমনি পাঠ্যক্রম হলো শিক্ষার ঘড়ি। শিশুর প্রয়োজনে সমাজের প্রয়োজনে দরকার আমাদের শিক্ষা। শিক্ষা চিন্তার ধারাবাহিক বিবর্তন যুগ যুগ হতে। প্রাচীন ভারতবর্ষ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়কাল পযন্ত শিক্ষার ক্রম পরিবর্তন একমুখী নয় হয়েছে ভিন্নমুখী। ব্রহ্ম সত্য জগত মিথ্যা থেকে শুরু করে গুরুবাক্য বেদবাক্য। অন্যত্র ICT এর সময়ে প্রযুক্তি নির্ভর ভাবনায় শিক্ষা চিন্তা পরিবর্তিত হচ্ছে। পাঠ্যক্রম কেন্দ্রিক ভাবনার ক্ষেত্রে নানাবিধ দিক থাকে। পাঠ্যক্রমের নীতি নির্ধারণ। স্বাভাবিক গতি প্রকৃতি বিভাজন, আশ্রয়স্থান, নিয়ন্ত্রণ সবকিছু সমকালীন পরিমণ্ডল কেন্দ্রিক ভাবনার অনুষঙ্গ, সমাজের আর্থিক উন্নয়ন হলে পারিবারিক উন্নয়নের সাথে সাথে শিশুর মেধাগত উন্নয়ন ও সমানতালে চলে। সময়ের বিবর্তনের বুদ্ধাঙ্কের ও পরিবর্তন লক্ষণীয়। কৃষিকাজ কিংবা জলবায়ুগত কারণে শিশুর দৈহিক ক্ষমতার পাশাপাশি লড়াকু মানসিকতার জন্ম দেয়। প্রাসঙ্গিকভাবে তখন প্রয়োজন হয় নতুন কিছু উদ্ভাবনমূলক চিন্তা যা তার জীবনের পরিপন্থী হিসেবে কাজ করবে। পাঠ্যক্রম ক্রম উন্নয়ন শিশুকে পাঠ্যমুখী করার সোপান। পাঠ্যক্রমের মধ্য দিয়ে সার্বিক বিকাশ ও হয়। যে পাঠ্যক্রমে আমরা নির্ভর করছে সেই পাঠ্যক্রম কাকে নির্ভর করছে? মানুষের রুচির উপর খাদ্য নির্ভর করে, মানুষ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্বপ্ন দেখে। নিজশিক্ষা চিন্তা দ্বারাই মানুষের দর্শন কাজ করে। ফলত পাঠ্যক্রম সমকালীন পরিমণ্ডল দ্বারাই তার ভীত প্রশস্থ করে। দার্শনিক ভাবনা ও চিন্তায় একান্ত প্রাপ্ত হয়ে বলতে হয় ভিত্তি ভূমি সমাজ আর গঠনশৈলী মানুষের আচরণ। সুতরাং মানুষের স্বাভাবিক জীবন ছন্দের সাথে তাল মিলিয়েই একটি পাঠ্যক্রম তৈরি হয়।
Key words: পাঠ্যক্রম, কৃষিকাজ, হাতিয়ার, উদ্ভাবন, জলবায়ু।
Page no : 31-35
Author: মৌটুসী সাহা
DOI Link :: https://doi.org/10.70798/Bijmrd/02040006
Abstract: ‘বনলতা সেন’ কাব্যে জীবনানন্দের ইতিহাস-চেতনায় কোনো ঘটনা তারিখ বা বিবরণ নেই, এমনকি প্রচলিত অর্থের ইতিহাস-চেতনাও নেই। নারীকে বা নারীকেন্দ্রিক প্রেমকে মাধ্যম করে প্রকাশিত হয়েছে জীবনানন্দের প্রবল ইতিহাস-চেতনা। মনন ঋদ্ধ আবেগ ও ভাবনা জীবনানন্দ দাশের কাব্যে যে ধরনের স্বকীয় উদ্ভাস এনে দিয়েছিল, সেই উদ্ভাস থেকেই এক সুস্থিত ইতিহাস চেতনা কবির কাব্যে নিরবচ্ছিন্ন ও স্পষ্টভাবে প্রকাশিত কাব্যের নাম কবিতা, সবিতা, সুরঞ্জনা, নগ্ন নির্জন হাত, মিতভাষণ, শ্যামলী ইত্যাদি কবিতায় অন্তহীন সময়ের পটভূমিতে বহমান মানব সমাজের অগ্রগতির বোধ, পরিপূর্ণতার সহজ অন্বেষা ও শুভ প্রয়াণের ব্যগ্রতায় পৃথিবীর রণ রক্ত কোলাহলের অন্তর্লীন তাড়নার প্রকৃত তাৎপর্য অনুধাবনের মধ্যেই জীবনানন্দ একধরনের বিবর্তমান ইতিহাস চেতনা সঞ্চারিত করে গেছেন।
Key words: জীবনানন্দ দাশ, বনলতা সেন, ইতিহাস চেতনা ,
Page No : 36-44
