সহপাঠ্যক্রমিক কার্যাবলী শিশুর সার্বিক বিকাশের পন্থা: একটি আলোচনা

Author: অজয় মাহাত

DOI Link: https://doi.org/10.70798/Bijmrd/03030036

Abstract(সারাংশ): অন্তর্নিহিত চেতনা শক্তির বিকাশ শিক্ষা। শিক্ষা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। জীবন পরিচর্যায় প্রয়োজন মানুষের শিক্ষা। শিক্ষার গতি ক্রমশ পরিবর্তনশীল। শিক্ষার মৌলিক উপাদান একে অপরের সাথে পরিপূরক। শিক্ষক শিক্ষার্থী, বিদ্যালয় পাঠ্যক্রম এই মৌলিক উপাদান গুলি একে অপরের সাথে জড়িত। প্রথাগত শিক্ষা পাঠক্রম নির্ভর। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়াই হলো পাঠক্রমে মৌলিক দিক। পাঠক্রম নির্ভর শিক্ষা পদ্ধতি পুঁথি সর্বস্ব। অনিয়ন্ত্রিত শিক্ষা আকস্মিক। বিদ্যালয় স্তরের পাঠক্রম শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশের এক হাতিয়ার একমাত্র হাতিয়ার নয়। সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী বর্তমান সময়ে সমতা বিধান করে পাঠক্রমের সাথে। শিক্ষার্থীর প্রাক্ষোভিক, মানসিক, শারীরিক, সৃজনশীল চেতনা বিকাশের সতত ক্রিয়াশীল সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী। সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী শিক্ষার্থীর আগ্রহ ও প্রবণতার এক পন্থা। দেহ ও মনের সুষম বিকাশের ক্ষেত্র ভূমিক প্রস্তুত করে সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী। পথ চলতে, কথা বলতে কিংবা অভিযোজন করতে শিক্ষার প্রয়োজন তবে দৃঢ় সংকল্প ও স্বাধীন চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করে সহপাঠ্যক্রমিক কার্যাবলী। বিদ্যালয় সমাজের ক্ষুদ্র সংস্করণ। শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশ বিদ্যালয় স্তরকে ঘিরেই শুরু হয়। সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী এমনই এক পন্থা যা শিক্ষার্থীর দেহ ও মনের সুষম বিকাশ করে। পাঠক্রম শিক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। দৈহিক, মানসিক, প্রাক্ষোভিক, বৃত্তিগত সমস্ত দিকের বিকাশমান রাস্তা উন্মুক্ত করে সব পাঠ্যক্রমিক কার্যাবলী। সৃজনশীল চেতনা অথবা শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত অভিমত পোষন করার রাস্তা তৈরি করে সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী।

Keywords(সূচক শব্দ): সহপাঠ্যক্রমিক, প্রাক্ষোভিক, পাঠক্রম, মানসিক, দৈহিক, সার্বিক উন্নয়নl

Page No: 321-324