Author: Ranit Bera
DOI Link: https://doi.org/10.70798/Bijmrd/03110034
Abstract: কৃষ্ণস্তু ভগবান স্বয়ং’। শ্রীকৃষ্ণই স্বয়ং ভগবান। পূর্ণব্রহ্ম পরমপুরুষ লীলা পুরুষোত্তম ভগবান তিনি। ভারতীয় সমাজ ও সাহিত্যের পৌরাণিক যুগ থেকেই কৃষ্ণ কথার বিকাশ লক্ষ্য করা যায়, সেই প্রভাব পড়েছিল বাঙালি সমাজেও। বাঙালি সমাজের প্রাচীনকাল থেকেই ধনী-দরিদ্র, ভক্ত-রসিক আপামর বাঙ্গালী কৃষ্ণ কথায় তৃষ্ণা মেটাতেন। বাঙ্গালী চিন্তনে মননে কৃষ্ণ অন্যান্য দেবতার মত স্মরণীয় হলেও কোথাও যেন কৃষ্ণ বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতিতে নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন। তারই প্রতিফলন স্বরূপ আমরা পাই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য, বৈষ্ণব পদাবলী, শ্রীকৃষ্ণবিজয় প্রভৃতি মধ্যযুগের মহামূল্যবান কৃষ্ণকেন্দ্রিক গ্রন্থগুলি। প্রাচীন সাহিত্যে কৃষ্ণকথা বিভিন্ন পুরাণ উপ-পুরাণাদিতে আলোচিত হয়েছে, যেমন- মহাভারতের পরিশিষ্ট খিল হরিবংশ, ছান্দোগ্য উপনিষদ, গর্গ সংহিতা, কৃষ্ণকর্ণামৃত প্রভৃতি বহুবিধ গ্রন্থে। কৃষ্ণ কথা আপামর ভারতবাসীর হৃদয়ের স্পন্দন। শ্রীকৃষ্ণ কে কবিরা আপন দৃষ্টিভঙ্গিতে মনের মাধুরী মিশিয়ে নব নব রূপে তাদের কাব্যে সাহিত্যে উপস্থাপন করেছেন। প্রাচীন যুগের কৃষ্ণকেন্দ্রিক গ্রন্থগুলি দেখলে দেখব কৃষ্ণের স্বরূপত স্বাতন্ত্র। মধ্যযুগের সাহিত্যের দিকে তাকালেও দেখব কবিগণ এক এক ভিন্ন দৃষ্টিতে কৃষ্ণ চরিত্র উপস্থাপন করেছেন, যার ফলে কৃষ্ণ চরিত্রের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ও সাহিত্য সংস্কৃতিতে তার প্রভাব সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা লাভ করা যেতে পারে।
Keywords: কৃষ্ণ, পূর্ণব্রহ্ম, পৌরাণিক, তৃষ্ণা, মধ্যযুগ, মাধুরী, হৃদয়, সাহিত্য প্রভৃতি।
Page No: 278-281
