Author: সঞ্জয় হালদার
DOI Link: https://doi.org/10.70798/Bijmrd/03030039
Abstract(সারাংশ): বৃদ্ধির সাথে বিকাশ ও চলমান। ক্রম প্রবাহমান বিকাশ প্রক্রিয়া। বিকাশের ধারায় শিশু শিখন এর পথে পা দেয়। শিখন আচরণগত পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম। ভাষা ভাবের বাহন। ভাষা বিকাশ মূলত ভাষা শিখন কে কেন্দ্র করে। পরিবার থেকে শিশুর ভাষা শিখন শুরু। অর্জন এবং শিখন প্রাসঙ্গিক ও পরস্পরের সাথে সংযুক্ত। পর্যায় অনুযায়ী শিশুর ভাষার শিখন হয়। বিদ্যালয় হল সমাজের ক্ষুদ্র সংস্করণ। যেখানে শিক্ষার্থী ভাষা শিখনের স্বতঃস্ফূর্ত রাস্তায় পাওয়া দেয়। বিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ভাষা শিখনের রাস্তা দেখায়। ভাষা শিখনের ক্ষেত্রে নানাবিধ পদ্ধতি বিদ্যালয়ে ফলপ্রসু। গল্প থেকে ছড়া কিংবা কবিতা শিক্ষার্থীদের পাঠ গ্রহণের পথে আনন্দদায়ক। বর্ণ চেনা ও বর্ণলেখা এবং শব্দ থেকে শব্দের অর্থ ধারণা শিক্ষার্থীরা পায়। বাক্যকে ব্যবহারের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের বাচনিক বিকাশ হয়। বাক্য অনুক্রমন করে শিক্ষার্থীরা বর্ণ শব্দগত ধারণা পায়। ভাষা শিক্ষণ পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান সঞ্চালনের একাধিক রাস্তা দেখায়। আলোচনা ও আলোচনা কেন্দ্রিক ভাবনায় জ্ঞানের সমৃদ্ধ রাস্তা তৈরি হয়। নাটকীয় ভঙ্গিমা শিক্ষার্থীদের অধিত সময় বিষয় মনে রাখতে সহায়ক। কাব্যময় ভাবনায় ছড়ার উপস্থাপনা শিশু মনকে আকৃষ্ট করে। ছড়ার মধ্যে দিয়ে বাস্তব চিত্র সম্পর্কে শিক্ষার্থী উপলব্ধি করে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাষার প্রয়োগ এবং ভাষা ব্যবহারের সার্থক ক্ষমতা তৈরি হয় ভাষা শিখনের দ্বারা। ভাষা বিকাশের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর আচরণগত পরিবর্তন কিংবা দক্ষতা ভিত্তিক যেদিকের কথাই বলি না কেন তা মূলত ভাষা শিখন থেকে। শিক্ষকের সাহায্য শিক্ষার্থীদের ভাষা শিখনে উদ্বুদ্ধ করে। শিক্ষণ কৌশল শিক্ষার্থীর আগ্রহ বাড়ায়। শিক্ষণ পদ্ধতি চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষার্থীর পরিস্থিতি অনুযায়ী তা প্রয়োগ তৎসহ ভাষাগত দক্ষতায় শিক্ষার্থীর উদ্বুদ্ধ হওয়া সবই শিক্ষকের কর্ম প্রচেষ্টা।
Keywords(সূচক শব্দ): শিক্ষণ পদ্ধতি, শিখন, ফলপ্রসু, ক্ষুদ্র সংস্করণ, চলমান, গ্রহণ ধর্মী, আচরণগত পরিবর্তন।
Page No: 334-338
