Author: কৌশিক দাস
DOI Link: https://doi.org/10.70798/Bijmrd/03030038
Abstract(সারাংশ): সমাজ বিজ্ঞানের পরিধি ব্যাপক। সমাজবিজ্ঞান বিদ্যার অভ্যন্তরে রয়েছে একাধিক বিষয়ের সম্ভার। পাশাপাশি উক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিক সংযোগের সেতু আছে। ইতিহাস, ভূগোল, সমাজতত্ত্ব, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মত বিষয়গুলি এই শাখার অন্তর্ভুক্ত। সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টি আদি হতে বর্তমান পর্যন্ত মানব জীবনের নন্দীপাঠ। মানব জীবনের চাহিদা ও তার শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিষ্ঠার নানান খুঁটিনাটি তথ্য আছে সমাজবিজ্ঞানী। সমাজভুক্ত মানুষের সমাজের আঙ্গিনায় রীতিনীতি, বিশ্বাস ও আচার-অনাচার বর্ণনার একমাত্র পন্থা সমাজবিজ্ঞান। বিশ্বায়নের প্রভাব অন্তরাষ্ট্রীয় সংযোগ এই ধরনের বিদ্যা উক্ত দুটি দিকের ক্ষেত্রে সহায়ক। বিদ্যালয় স্তরে পাঠ্যক্রম শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশের একটি মাধ্যম। জ্ঞানগত গভীরতা ও প্রায়োগিক ক্ষমতার সুদৃঢ় করনে সমাজবিজ্ঞান অন্যতম। জাতীয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে মানুষের মধ্যে সংস্কৃতি সঞ্চালন ও সংহতি রক্ষার বার্তা দেয় সমাজবিজ্ঞান। শিক্ষার্থীর চিন্তাভাবনার উন্নয়ন পাশাপাশি সামাজিক বোধে উদ্বুদ্ধ করে সমাজবিজ্ঞান। সাহিত্য দর্শন কিংবা বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের পাশাপাশি সামাজিক স্থিতা বস্তা সম্পর্কে ধারণ পায় সমাজবিজ্ঞান। অতীত থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত মানবজীবনের বৈচিত্র প্রতিভত হয় সমাজবিজ্ঞানে। আদিম মানুষের জীবনযাত্রা থেকে বর্তমান মানুষের অর্থনৈতিক ভাবাদর্শ উক্ত বিজ্ঞানের মধ্যে আলোচিত হয়। ভৌগোলিক বৈচিত্র্য থেকে রাষ্ট্রীয় চিন্তা সহ মানব মনের আনন্দ বেদনার হর্ষ ছবি সমাজবিজ্ঞানে প্রকাশ। শিক্ষার্থীর মধ্যে দেহ ও মনের সুষমা বিকাশের রাস্তা খুলে দেয় এই বিজ্ঞানের এক শাখা। সার্বিক উন্নয়ন জীবন পরিচর্যার ও প্রতি পালনের গতিমুখ দেয় সমাজবিজ্ঞান।
Keywords(সূচক শব্দ): সমাজবিজ্ঞান, পাঠ্যক্রম, বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক, জাতীয় সংহতি, আন্তর্জাতিকতাবোধ।
Page No: 329-333
