Author: Baishakhi Das & Dr. Ganesh Debnath
DOI Link: https://doi.org/10.70798/Bijmrd/04060013
Abstract(সারসংক্ষেপ): ভাষা এবং মানুষ এই শব্দ দুটি একে অপরের সাথে অবিচ্ছেদ্য রূপে আবদ্ধ। মানব জীবনের মুখ নিঃসৃত প্রত্যেকটি শব্দের, বর্ণের এবং বাক্যের রয়েছে ব্যুৎপত্তি গত রূপ, যা প্রাচ্য ও প্রাশ্চাত্য উভয় ক্ষেত্রেই বর্তমান। ভাষার ধরণ, গঠন, এবং অবয়ব সম্পর্কে প্রাশ্চাত্য এবং প্রাচ্য আধুনিকতার পূর্ব মুহুর্ত থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত নানা পর্যালোচনা এবং গবেষণা চলে আসছে। পূর্বে ভাষা বিশ্লেষণ তত্ত্ব পরবর্তী পর্যায়ে গবেষণীয় অর্থাৎ বিজ্ঞান তত্ত্বে পর্যবসিত হয়েছে। ভাষার ধ্বনিগত, রূপগত, বাক্যগত নানা ধারণা ভাষা জিজ্ঞাসায় গবেষিত হয়েছে। ভাষার শৈলীর ধরণও ভাষা বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ভাষা থেকে সৃষ্ট নানা উপভাষা কালের সময়সীমার আরও নতুন নতুন ভাষার জন্ম দিয়েছে যা ভাষা পরিবারকে সমৃদ্ধ করে তুলেছে। বিভিন্ন ভাষা বিজ্ঞানীর ধারণাকে একত্রিত করে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবার থেকে জন্ম হচ্ছে নানা ভাষা তার থেকে সৃষ্ট হচ্ছে নানা রূপ। মানুষের কথন দক্ষতার ধরণ, উপস্থাপনা কিংবা পরিবেশগত পর্যায় ভাষা নিজেকে বিবর্তিত ও পরিবর্তিত করে চলেছে। ঐতিহাসিক কিংবা বর্ননামূলক গঠনের পরিপ্রেক্ষিতে ভাষা বারংবার চর্চিত এবং বিশ্লেষিত। প্রাচীন বৈদিক (প্রাচ্য) কিংবা রেনেসাঁ বা নবজাগরণের যুগের পূর্ব মুহুর্ত থেকে বর্তমান উন্নততর প্রযুক্তিবিদ্যায় বিজ্ঞান শাখার অন্যান্য গবেষণার মত ভাষা বিজ্ঞান শাখার আরও একটি অংশ। যাকে পরীক্ষাগারে সংশ্লেষিত ও বিশ্লেষিত করা হয়। যা নিয়ম ও চর্চায় তাত্ত্বিক থেকে বাস্তবিক হয়ে ওঠে।
Keywords(মূল শব্দ): ভাষা, ভাষাতত্ত্ব, ভাষাবিজ্ঞান, ঐতিহাসিক, বর্ণনামূলক, ভাষা গবেষণা।
Page No: 109-118
